Story By Rinku Mondal Mondal
author-avatar

Rinku Mondal Mondal

bc
দূগেস নন্দিনী
Updated at Jun 12, 2024, 03:33
মন্ত্রী মসাই নিজস্ব বাড়ি থেকে বের হয়ে নিজস্ব হেলিপ্যাডে গিয়ে কপ্টারে চেপে দিল্লি তে মিটিং এ জন্য উড়াল দিলেন, মন্ত্রী মাসাই এর নাম দুর্গেস্বর চৌধুরী ,বয়স মাত্র 38, উচ্চতা প্রায় 6 feet, পরিষ্কার গায়ের রং সুদশন সুপুরুষ যাকে বলা যায় slim perfect body কপ্টার কিছু উপরে যেতেই মন্ত্রী মাসাই জানালা দিয়ে নিচের ছবির মত দৃশ্য দেখতে পেলেন তার বাড়ির ছাদেরপুলে দুটি পদ্ম ফুল জলের মধ্যে খেলা করছে একটি তার প্রান অপরটি হৃদয়, এই দুই নারী র মধ্যে একজনের বিন্দু মাত্র ক্ষতি মানতেই পারবেন না, তাই এই দুই নারী কে সবার কাছে থেকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন,নিচে 14বছরের মেয়ে পাসের নারী টিকে বললো,মামণি আজ কি করবে মামণি বললো চলো স্নান সেরে রেডি হও, (এখন একটুখানি মন্ত্রী মাসাই এর বাড়ির পরিবেশ সংক্রান্ত বলা যায়)ছয়তলার বাড়ি নিচেরতলার একদিকে অফিস অফিসের কেউ বাড়ি র মধ্যে না আসে তার ব্যবস্থা করা অন্য দিকে বাগান, বাগানে যেমন ফুল ও ফল গাছের আযজন তেমনি চারিদিকে গাড়এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে একদমই দুর্ভেদ্য দুর্গ ,কেউ সহজে প্রবেশ করতে পারবে না বিনা অনুমতিতে, গাড়ির গেরেজ ওকিছুপোস্য, তাদের দেখে রাখার জন্য লোকজন থাকার ব্যবস্থা, প্রথম তলায় রান্না ঘর খাওয়া দাওয়া ঘর কাজের লোকজন থাকার ব্যবস্থা, বড় বসারঘর, দুই তলায় শোবার ঘরের ব্যবস্থা তিন তলায় ঘরের মানুষ তাদের ব্যবস্থা, চারতলার পুরোটা ফাঁকা এই পযন্ত লিফ্ট ও সিড়িব্যবহার করা ব্যবস্থা আছে এই তলাটি কুকুরদেরজন্য ,আটটি কুকুরআছে যাদের দেখাশুনো যে করে তার বয়স আনুমানিক ষাটের ঘরে দেখতে লম্বায় সাড়ে পাঁচ কি ছয় ফুট গায়ের রং কালো, মাথার চুল পুরো সাদা কাছাপেড়ে ধুতি আর ফতুয়া জামা কুঁজো হয়ে হেঁটে চলে,দেখতে মনে হয় খুব দুর্বল, সব কিছু আস্তে আস্তে কাজকর্ম করে, এবং এই এক একটি কুকুর হিংস্রতায় বাঘের চাইতে কম নয়, এই তলে একটি ছোট ছাদ আছে, ছাদে লোহার রড দিয়ে মজবুত গ্রিল করা হয়েছে দুর থেকে কুকুরের ডাক শোনা ও দেখা যাবে, পাঁচ ও ছয় তলায় যাবার রাস্তা কেউ দেখতে পাবে না, এই বার পরিবারের সদস্যদের পরিচিত করা যায় শশাঙ্ক শেখর চৌধুরী তার দুই পুএ ও এক কন্যা ,( স্ত্রী মৃত্যুর পর রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেন) বড় পুএ বিশ্বম্ভর চৌধুরী ও ছোট পুএ রাজেস্বর চৌধুরী, কন্যা রাজলক্ষ্মী তার ম্মামি তারেক নাথ রায় (তাদের দুই পুএ তমাল রায় ও তাঁরানাথ রায়) বিশ্বম্ভর চৌধুরীর এক পুএ (বিশ্বায়ন চৌধুরী, )ও দুই কন্যা (বনশ্রী,ও বীণা ) রাজেস্বর চৌধুরীর একটি পুএ দুর্গেস্বর চৌধুরী, বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী,সকলেই বিবাহিত স্ত্রী সন্তান নিযে ভরা সংসার ,রাজনীতি পরিবার, সদস্যরা সকলেই কম বেশি জড়িত রাজনীতিতে, বিশেষ করে ছেলেরা,আর যেখানে রাজনীতি সেখানেই দন্দ থাকবে কিন্তু শশাঙ্ক শেখর চৌধুরী কড়া হাতে সুদক্ষ তার সাথে পরিবারে শাস্বন নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, সব ছেলে মেয়ে দের উচ্চ শিক্ষিত করেছেন সব সময় বিচার বিবেচনা করে পরামর্শ দিয়েছেন, শশাঙ্ক শেখর চৌধুরী নাতি দুর্গেস্বর চৌধুরী রাজনীতিতে দাদুকে ছাড়িয়েছে তাইত কম বয়সেই মন্ত্রী হয়েছেন পনেরো বছর একইভাবে আসনটি ধরে রাখতে পেরেছেন , আর পরমকৃপামযের দয়ায় রাজ্যের উন্নতি দেখার মতোই তবে রাজনীতি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করলেও পরিবারকে সামলাতে ঠিক করে পারে নি,তাই জনগণের কাছে পরিবারের সকল সদস্যের চেনাজানা থাকলেও মন্ত্রী মাসাই এর স্ত্রী কন্যা র খবর কেউ জানে না এমনকি তার পরিবারের সদস্যরা সকলেই কম বেশি জানে এই বাড়ির পাঁচ ও ছয় তলায় তাঁরা আছে কিন্তু তাদের সাথে যোগাযোগ কম, শুধু কিছু কিছু অনুষ্ঠানে সবাই এক ঝলকের দেখা পাই , কোথা থেকে বের হয়ে আসে আবার কোথাই অদৃশ্য হয়ে যায়, দুর সম্পর্কের আত্মীয় স্বজন যারা,তাঁরা রাজ্যের অন্য জনগণের মতোই, ভাষাভাষা জ্ঞান, কেউ সহজে দেখতে পাই নি, ফটো তোলা অসম্ভব, শশাঙ্ক শেখর চৌধুরী কড়া ভাষায় পরিবারের সদস্যদের কাছে বলেছেন যে কোনো রকম আলোচনা তাদের নিয়ে করা যাবে না এই নিয়ে আলোচনা করলেও পরিবারকে শাস্তি র ব্যবস্থা করে রেখেছে, মধ্য নদীতে, পরিবেশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে কিছু ক্ষণ আগেই মধ্য দুপুরে প্রকৃতি কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব চালিয়েছে ,এই সন্ধ্যায় মনে হয় খুব রাত্রি হয়ে গেছে একটি ছোট লঞ্জনৌকা খুব সাবধানে উত্তাল নদীর মধ্যে চলেছে, লঞ্জনৌকাটি সল্প আলোই আলোকিত ,এইঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে নৌকাড়ুবে একমানব বাঁচার তাগিদে সাঁতরে লঞ্জনৌকাটিকে ধরার জন্য কাছাকাছি এসে লঞ্জচালকে চিত্কার করে ডাকতে থাকে, এত বাতাসের শব্দেও লঞ্জচালক শুনতে পাই সেই ড়াক তড়িঘড়ি লঞ্জনৌকার বাইরে এসে দেখে নদীতে ভাসমান জনকে ,দড়ি ফেলে হাতবাড়িযে তোলেন সেই মানুষটিকে ক্লান্ত হয়ে পড়েথাকে মানুষটি কম হলেও নদীর জল অনেকটাই পেটে গেছে, লঞ্জচালক তাড়াতাড়ি করে পেটে চাপিয়ে দিতে জল বের হল মুখে,মানুষটি চোখবন্ধ কোরে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে নিজেকে ধাতস্থ করতে থাকে স্বাভাবিক হবার জন্য, আস্তে আস্তে চোখ জোড়া খোলে অনেক সময় জলের মধ্যে থাকার জন্য পৣথম ঝাপসা চোখে সামনে দিকে তাকিয়ে দেখে এক নারী বসে আছে আর তার কোলে ভয়জড়িত মুখে কোলে মাথা রেখে তার দিকে তাকিয়ে আছে একটি ছোট মেয়ে তার বড়ো বড়ো চোখে বিস্ময়ে ভরা ,আর যুবতীটি মেয়েটিকে দুই হাত দিয়ে আগলে রেখেছ,বোঝাই যাচ্ছে এরা মা ও মেয়ে ,আনদাজ করলো যুবতীর বয়স আনুমানিক ত্রিশের কাছে অসম্ভব সুন্দরী বিবাহিত , শাঁখা সিন্দুর পরিহিত কোন পরী, ছোট মেয়েটির বয়স আন্দাজ করা মুসকিল কারণ ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে আছে কিন্তু মুখশ্রী ফুটন্ত পদ্ম ফুল এই দুই নারীর মুখ দেখে মনে হল নারী দেখা সার্থক, পরমেশ্বর যেন মনের সুখে নিখুঁত ভাবে তৈরি করছেন, ভয় পেলেও যুবতীনারী হালকা হেসে জিজ্ঞাসা করলেন যুবককে ,ভালো লাগছে কিছু অসুবিধা হলে যেন বলে কারণ নারীটি 'cardiologist doctor' কিন্তু উঠে এসে ছেলেটিকে check up করলেন না, ছোট্ট মেয়েটিকে ধরেই বসে থাকলেন, ভয় করার কারণ ছেলেটির পোশাক দেখেই বোঝা যায় military man লম্বা চওড়া সুদশন সুপুরুষ য়ুবক, ছেলেটির গায়ের শক্তি বোঝাই যায়, যে কালবৈশাখী ঝড়ে উত্তাল ঢেউ যুক্ত নদীতে সাঁতার দিয়ে ভেসে তাদের লঞ্জনোকা টিকে ধরে উঠেছে আর সজ্ঞানে আছে, তাহলেই বলতেই হয় খুবই শক্তিশালী, যুবকটি সোজা হয়ে হাতে ভর দিয়ে উঠে তাদের দিকে
like