bc

সব স্মৃতি থেকে যাক সেই অজানা ছোটবেলায়

book_age18+
0
FOLLOW
1K
READ
love-triangle
HE
kickass heroine
sweet
mystery
loser
lucky dog
small town
childhood crush
harem
war
substitute
like
intro-logo
Blurb

this story have many of character ... ala is an good boy... alas mother force into wedding and girls college girl,, alas personalities is very good,, the story provide the love of people and struggle sum of wor

chap-preview
Free preview
অবেলায়
গার্লস কলেজের সামনে আম্মুর সাথে দাড়িয়ে আছি তখনি আম্মা একটা মেয়েকে দেখিয়ে বলে। আল তোকে এই মেয়েটার সাথে প্রেম করতে হবে। আর প্রেমের ফাদে মেয়েটাকে ফেলে এরপর ভাগিয়ে বিয়ে করতে হবে। আম্মার এমন কথায় আমি কিছুটা না অনেকটা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি আম্মার দিকে। তখন আম্মা বলে। আম্মা:- এমন ভাবে ডেব ডেব করে আমার দিকে না তাকিয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে দেখ। আর শোন যদি কোনো মেয়ে আমার বাড়ির বউ হই তাহলে একমাত্র এই মেয়েটা হইবে। এই নে মেয়েটার নাম আর ফোন নাম্বার মেয়েটার সাথে যেভাবে হোক রিলেশন করে বিয়ে করবি। আল:- আম্মা আপনি কি মেয়েটাকে চিনেন? আম্মা:- এত কিছু যানার কোনো দরকার নেই আমি যা বলছি তাই করবি। আর শোন মেয়েটা মনে হই একটা ছেলেকে ভালোবাসে। আমার মনে হই মেয়েটা তোকে পাত্তা দিবে না। কিন্তু তুই যেভাবে হোক মেয়েটাকে তোর প্রেমে বন্ধি করে ভাগিয়ে বিয়ে করবি। কি পারবি না? আল:- আম্মার দিকে তাকিয়ে আছি কি বলবো বুঝে উঠতে পারছি না। তাও আম্মাকে বলি। আম্মা মেয়েটা অলরেডী একটা ছেলেকে ভালোবাসে সেই মেয়েটাকে কি করে আমার প্রেমে ফেলবো? আম্মা:- আমি এত কিছু বুঝিনা তোকে যা বলছি তাই করবি। আর শোন মেয়েটার সম্পর্কে আজ থেকে তোর সব খোঁজখবর রাখতে হবে। আজ থেকে তোর কলেজ তোর কাজকর্ম সব কিছু বন্ধ। তোর একটা মাত্র কাজ সেটা হচ্ছে মেয়েটাকে তোর সাথে প্রেম করাতে রাজি করিয়ে পালিয়ে বিয়ে করতে হবে। এই নে টাচ্ মোবাইল আর পাঁচশত টাকা রাখ। এখন থেকে প্রতিদিন তোর হাত খরচ হবে পাঁচশত টাকা। মোবাইল আর টাকা হাতে আল দাঁড়িয়ে আছে আর তখনি ওর মা চলে গেেেছ। যেই একটা বাটন মোবাইলের জন্য আম্মার পায়ে পড়েছি আর সেই আম্মা আমাকে এত দামী একটা মোবাইল দিছে। আল দাঁড়িয়ে আছে আর মেয়েটাকে দেখছে। আল কাগজের দিকে তাকিয়ে দেখে মেয়েটার নাম উম্মে এতিহা দেখতে বেশ লম্বা আর উজ্জল ফর্সা টাইপের গায়ের রঙ। চুল গুলি ছাড়া প্রায় কোমড়ে পড়ছে আলের পছন্দ হইছে এতিহাকে। কিন্তু এতিহা তো দাঁড়িয়ে একটা ছেলের সাথে কথা বলছে। ছেলেটা দেখতে বেশ সুন্দর তবে কেনো জানি ছেলেটার চরিত্রগত ঠিক ঠাক লাগছে না। আল দেখতে শোনতে বেশ সুন্দর ওর কলেজের অনেক মেয়ে ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে কিন্তু আল রাজি হইনি। আল এতিহার নাম্বার সেইভ করেছে এতিহা সাথে লাভ ইমুজি দেওয়া ।অনেক্ষন যাবৎ আল এতিহাকে ফলো করছে তখনি ওরা দুজনে একটা রিক্সা করে চলে যাচ্ছে আল একটা রিক্সা নিয়ে ফলো করতে লাগলো। কিছুদুর যাবার পর ছেলেটা নেমে গেছে আর এতিহার রিক্সা নিয়ে চলে গেছে। আল ও যেতে ছিলাম কিন্তু সিগনালে আটকা পরে গেছে। আজকের মত আর দেখা হলো না এভাবে বেশ কিছুদিন ফলো করেছে আল। কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করেছে এতিহা তো তার বয়ফ্রেন্ডকে পচন্ড ভালোবাসে। তাই আল সিদ্যান্ত নিছে এতিহাকে আর ফলো করবো না। আম্মা যা বলার বলবে তাও ওদের ভালোবাসার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইনা। আল চিন্তা করছে কি করে বলবে তখনি আলের বাবা বলে। বাবা:- আল তোকে বেশ কিছুদিন যাবৎ দেখতেছি তুই কলেজে যাচ্ছিস না। আর তোর হাতে মোবাইলটা আসলো কি করে? তখনি আম্মা বলে। আম্মা:- আল কিছুদিন আমার একটা কাজ করে দিচ্ছে। আর ওর হাতের মোবাইলটা আমি দিয়েছি। বাবা:- তুমি দিয়েছো কিন্তু তুমি তো কখনো ওকে মোবাইল দিতে বারণ করেছো? আম্মা:- তখন ছোট ছিলো আর এখন বড় হইছে। আচ্ছা তোমার এই নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। বড় বউ সবাইকে খাবার খেতে আসতে বলো। আর আল তোকে যা বলেছি তুই কি তা ঠিক ঠাক মত করতেছিস? আল:- আম্মা আপনার সাথে আমার কিছু কথা আছে। আম্মা:- কি কথা? আল:- আপনি যা বলছেন তা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তখনি আম্মা আমাকে ঠাসস করে একটা থাপ্পড় দিয়েছে। ভাবি ভাইয়া বাবা আর নানী থমকে গেছে। সবাই চুপচাপ কেউ কোনো রকম কথা বলছে না। আম্মা:- তোকে একটা কাজ করতে বলেছি আর তুই মুখের উপর বারণ করে দিয়েছিস? বাবা নানী কিছু বলতে চাইছে কিন্তু সাহোস করে বলতে পারছে না। আমি গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। শোন তোকে এক মাসের সময় দিলাম কাজটা এর মাঝে শেষ করে দিবি বলে দিলাম। নানী:- আল কি এমন কাজ করবে এক কাজ কর। আল যদি না পারে তাহলে আসাদকে দিয়ে দে। আসাদ তোর কাজটা করে দিবে।(আসাদ হলো আমার বড় ভাই। আর আমার দাদা দাদী দুজনে মারা গেছে। তবে আমার একটা খালাম্মা আছে ওনার ছোট একটা মেয়ে আছে নাম সিন্থিয়া। আর নানা তো মারা গেছে তাই নানীকে বাবা আমাদের বাড়ীতে নিয়ে এসেছে আমাদের সাথে থাকেন। তবে আমার এক চাচা আর এক ফুপি আছে কিন্তু কোনো দিন দেখিনি।) ভাইয়া:- হ্যা মা কি এমন কাজ আমাকে বলেন আমি করে দিচ্ছি। আম্মা:- তুই পারবি না। আর আলকেই কাজটা করতে হবে। আল কিছু না বলেই চলে গেছে। রাতে কিছু খায়নি সারা রাত চিন্তা করছে আম্মা কেনো এতিহাকে ভাগিয়ে বিয়ে করতে বলছে। এর রহস্যটা আমাকে তো বের করতে হবে আর তার থেকে বড় জিনিস হলো এতিহার সাথে ওর বয়ফ্রেন্ডের ব্রেকাপ করাতে হবে। আল:- হ্যা এই প্লানিং মতে কাজ গুলি করতে হবে। আমি কতগুলি সুন্দর সুন্দর মেসেজ লিখে এতিহার নাম্বারে সেন্ড করেই সিমটা অফ করে দেয়। এভাবে মেসেজ করতে থাকলাম প্রায় এক সাপ্তাহ। আজ এক মাস পড়ে কলেজে যাচ্ছি তখনি দেখি ঐ ছেলেটা একটা মেয়ের সাথে রিক্সা করে যাচ্ছে। আরে এইটা এতিহার বয়ফ্রেন্ড তাহলে মেয়েটা কে? আমি ওকে ফলো করতে থাকলাম। ফলো করতে করতে দেখি ছেলেটা একটা রেস্টুরেন্টে গেছে। আমিও গেলাম রেস্টুরেন্টের ভিতরে। আমি ঠিক ওদের পেছনের টেবিলে বসেছি। মেয়েটা বলছে। মেয়ে:- রাসেল বলো কি খাবে?(তার মানে ছেলেটার নাম রাসেল) রাসেল:- নাহ জান তুমি যা খাবে তাই। বলো তুমি কি খাবে? মেয়ে:- ঠিক আছে আমি অর্ডার করছি। আল বসে বসে ওদের কিছু পিক তোলে নিছে। এবার আল ছবি গুলি এতিহাকে মেসেজ করে বলছে। এতিহা তুমি যাকে ভালোবাসো তাকে যদি হাতে নাতে ধরতে চাও তাহলে এখুনি ক্যাফেইন রেস্টুরেন্টে চলে এসো। তোমার আদরের বয়ফ্রেন্ড তার বান্ধবীর সাথে বসে আছে। সাথে ছবি গুলি দিয়েছি। রাসেল:- আচ্ছা রিয়া আমি কি তোমাদের বাড়ীতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবো?(তার মানে মেয়েটার নাম রিয়া) রিয়া:- আপুর বিয়েটা সবে মাত্র শেষ হইছে। কিছুদিন যাক তারপর আমি নিজেই বলবো। আল:- শালা কত বড় চিটিং বাজ এক সাথে কত মেয়ের সাথে লাইন মারে। আর আমাদের কপালে একটাও জুটেনা। আল বসে বসে মুচকি হাসছে কিছুক্ষণ পর দেখি এতিহা আর সাথে আরো দুইটা বান্ধবী নিয়ে এসেছে। আমি তো দেখি বেশ খুশি হলাম। এতিহা সোজা এসেই রাসেলের টেবিলের সামনে দাঁড়িয়েছে। রাসেল:- এতিহা তুমি এখানে? রাসেল দাঁড়িয়ে গেছে। আমি তো বেশ আগ্রহো নিয়ে তাকিয়ে আছি। এতিহা কি বলবে আর রিয়া কেমন রিয়াক্ট করবে। ঠিক তখনি এতিহা বলে। এতিহা:- রাসেল এটা আমি কি দেখছি? রাসেল:- এতিহা তুমি বসো আমি তোমাকে সবটা বুঝিয়ে বলছি। রিয়া:- রাসেল তুমি মেয়েটাকে চিনো? রাসেল:- হ্যা আমার কাজিন লাগে আর তখনি এতিহা ঠাসস করে এক থাপ্পড় বসিয়ে দেয়। এতিহা:- কি বলছিস আমি তোর কাজিন শালা বেয়াদব। আমার সাথে আজ এক বছর যাবৎ প্রেমের অভিনয় করে এখন বলছিস কাজিন। রিয়া:- কি তোমার সাথে এক বছর যাবৎ প্রেম? রাসেল এটা আমি কি শুনতেছি? তুমি আমার জীবনটা শেষ করে দিছো বলেই এক থাপ্পড়। এতিহা ওকে মন মত বকা জকা করে চলে গেছে। সাথে রিয়াও বলে বেরিয়ে গেছে। আল বেরিয়ে এসে দেখে এতিহার চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে। এতিহা তার বান্ধবীদের বলছে। এতিহা:- দেখছিস দোস্ত যাকে এত ভালোবেসসেছি সেও এত বড় বেঈমানিটা করেছে। এতিহার বান্ধবীরা বলছে দোস্ত কি করবি বলো। রাসেল যে এমনটা করবে তা কোনোদিন ভাবি নি। আল তার মোবাইলটা বের করে এতিহাকে ফোন করছে। আল কিছুটা দুরে দাঁড়িয়ে আছে। এতিহা প্রথমে রিসিভ করেনি আবার করেছে। এবার রিসিভ করতেই আল বলে। মিস এতিহা কান্না করতে আপনাকে একটুও ভালো লাগে না। কিন্তু হাসি মাখা মুখে আপনাকে খুব সুন্দর লাগে। এতিহা:- এই আপনি কে? আর আমার নাম জানেন কি করে? আমাকে কি আপনি ফলো করছেন? আল:- খয়রি ক্লার চুড়িদার সাথে ম্যাচিং চুড়ি আর খোলা চুলে সাক্ষাত পরী লাগছে আপনাকে। এতিহা এদিক সেদিক তাকাচ্ছে! চোখের পানি গুলি মুছে নিছে। আল হাসছে এতিহার কান্ড দেখে। এতিহা:- আচ্ছা আপনার নাম কি আর আমার সম্পর্কে এত কিছু জানেন কি করে? আল:- আচ্ছা বাই আজকের মত আর হাঁ রাসেলের মত ছেলেদের কাছ থেকে কিছুটা দুরে থাকবেন আল্লাহ হাফেজ বলে ফোন কেটে দেয় আল। আর সাথে সাথে মোবাইলটা বন্ধ করে নিছে।পুরা গল্প প্রোফাইলে রিকুয়েস্ট দেন পড়তে) এতিহা:- আজব ছেলে আমাকে দেখছে অথচ কাছে আসছে না। ছেলে মনে হচ্ছে রাসেলের কোনো দোস্ত হবে। নিজে ধরা খায়ছে তাই নিজের বন্ধুকে আমার নাম্বারটা দিছে। হঠাত করে খেয়াল করে দেখে আরে এইটা সেই নাম্বাটা যেটা প্রতিদিন রাত ১২টায় মেসেজ করে মোবাইলটা সারাদিন বন্ধ রাখে। এতিহা মন খারাপ করে বাড়ীতে গেছে। এতিহার মা এতিহাকে দেখে বলে। এতিহার মা:- কিরে তোর এই অবস্থা কেনো? এতিহা:- কিছু না বলেই রাগ করে চলে গেছে। রুমে গিয়ে রাসেলের সব কিছু মুছে নিছে। ওর সব নাম্বার ফেসবুক ইমু টুইটার সব কিছু থেকে বল্ক করে দিছে। তবে এতিহার এখন মনে প্রানে একটা প্রশ্ন যাগছে কে ছেলেটা? আজকের যে এতিহার ব্রেকাপ হইছে সেই দিকে কোনো চিন্তা নেই কিন্তু ঐ ছেলের চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়ছে। আর ঐদিকে রাত ১২টার সময় আল তার মোবাই অন করছে। আল:- এতিহাকে কি বলবো ভালোবাসি। নাহ থাক যদি বারণ করে দেয় কিন্তু মেসেজ করতে থাকি কোনো একদিন বলে দিবো। আল যখনি মেসেজ করতে যাবে তখনি এতিহা ফোন করছে। রিং হতে হতে কেটে গেছে আল রিসিভ করেছি। এভাবে দুইবার ফোন করার পর আল রিসিভ করছে। এতিহা:- কে আপনি আমাকে চিনেন কি করে? আল:- তারমানে আজকে যে আপনার ব্রেকাপ হইছে সেই দিকে খেয়াল নেই। আমি কে সেটা জানার জন্য চিন্তায় ঘুম আসছে না তাই তো? এতিহা:- দেখুন আপনি আজকের পর আর কোনো সময় আমাকে মেসেজ বা কল করবেন না। যদি করেন তাহলে বল্ক করে দিবো বলে দিলাম। আল:- ঠিক আছে বল্ক করে দেন। তবে আপনার চোখ গুলি অনেক সুন্দর আর আপনার হাসিটার প্রেমে পড়ে গেছি। এতিহা:- আমি জানি আপনি কে এতক্ষনে বুঝতে পারছি আপনি কে! আজকের পর যদি আর কোনো দিন মেসেজ বা ফোন করেন তাহলে সোজা আপনার বাড়ীতে গিয়ে বিচার দিবো। আর আপনার আম্মাকে খুব ভালো করে আমি চিনি। আল:- ও আচ্ছা তাই ঠিক আছে তাহলে এখন থেকে বেশি করে আপনাকে জ্বালাবো। আর হাঁ আপনার ঠোঁট গুলি সত্যি খুব সুন্দর সাথে লম্বা চুল যার ঘ্রাণ আমার খুব পছন্দ। এতিহাকে কেউ এমন ভাবে প্রশংসা করেনি। এতিহা:- দেখুন আপনাকে ভালো করে বলছি আমাকে আর ফোন করবেন না। এতিহা ফোন কেটে দিয়ে কিছুটা রাগ করে শুয়ে পড়েছে। আল এভাবে রোজ রোজ মেসেজ করছে। আর এতিহা খুব এনজয় করছে মেসেজ গুলি পড়ে পড়ে। দেখতে দেখতে কিছুদিন চলে গেছে দিন দিন এতিহা কেমন একটা দুর্বল হয়ে আসছে আলের দিকে। আলের মা আলকে প্রতিদিন সব কিছুর খবর জানতে চাই আর আল ওর মাকে সব বলে। এভাবে বেশ কিছু দিন গেছে। দিন দিন এতিহা আলের প্রতি দুর্বল হয়ে গেছে। এতিহা আলকে ফোন করে নিজে থেকে। ওরা দুজনে ঠিক করে দেখা করবে তবে কন্ডিশন থাকে আলের। আল:- দেখা করতে পারি তবে আমাকে ভালোবাসতে হবে। এতিহা রাজি হয়ে যাই। এতিহা চিন্তা করে সুন্দর ছেলের সাথে তো প্রেম করেছি তার আসল চেহারাটা দেখছি। যদি ছেলেটা যেমনি হোক ওকেই বিয়ে করবো। এতিহা:- ঠিক আছে রাজি আছি। তাহলে আজ আমার কলেজের সামনে আসবে। আল:- ঠিক আছে। আল কথা মত গিয়ে হাজির এতিহা গিয়ে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে আছে। এতিহা ফোন করছে আল সামনে গিয়ে মোবাইলটা বের করে বলে। এতিহা আমি আল তখন এতিহা ঘুরে তাকিয়ে হাসি মাখা চেহারাটা কালো করে নিছে। এতিহা:- এতদিন আপনার সাথে কথা বলেছি? আল:- হ্যা এই দেখো তোমার নাম্বার। এতিহা নাম্বারটা দেখে মাথায় হাত দিছে। আল মুচকি হাসতেছে ঠিক তখনি ঠাসস করে এতিহা একটা থাপ্পড় দিয়ে বসে। আশে পাশের সব মানুষ গুলি দাঁড়িয়ে আলের দিকে তাকিয়ে আছে। আল কিছু বলতে যাবে আবারো থাপ্পড় দিছে। এবার আল এতিহার হাত ধরে নিছে। কি হলো থাপ্পড় দিচ্ছো কেনো? এতিহা:- তুই কি বুঝেছিস আমি কিছুই জানিনা আমি সব জানি আমার সাথে তুই প্রেমের অভিনয় করছিস। তোর বোনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। তুই কি করে ভাবলি যে আমি তোকে চিন্তে পারবো না। আমি খোব ভালো করেই চিন্তে পারছি। এতিহার কথা শুনে আল থমকে গেছে। আজকে এই পর্যন্তই মো আমিনুর ইসলাম

editor-pick
Dreame-Editor's pick

bc

The Bounty Hunter and His Wiccan Mate (Bounty Hunter Book 1)

read
103.2K
bc

The Abandoned Luna's Return

read
1K
bc

Tis The Season For My Revenge, Dear Ex

read
76.3K
bc

Inferno Demon Riders MC: My Five Obsessed Bullies

read
849.8K
bc

Three Alpha Bikers Wants An Open Marriage(An Erotic Paranormal Reverse Harem)

read
107.5K
bc

Mistletoe Miracle

read
8.8K
bc

The abandoned wife and her secret son

read
3.4K

Scan code to download app

download_iosApp Store
google icon
Google Play
Facebook