
আমি কলেজে ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। আমার বাবা একজন বিজনেস ম্যান। আমার মা একজন গৃহিণী। ছোটকাল থেকেই আমি পড়ালেখাই বেশ ভালো। যার জন্যে ইন্টারে ওঠার পর, কলেজ একটু দূরে হওয়া। বাবা আমার জন্য একটা গাড়ি এবং একজন ড্রাইভার ঠিক করে দিলেন। আমার কলেজটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। বাবা কে বললামঃ বাবা আমিতো গাড়ি চালাতে পারি। তাহলে ড্রাইভারের দরকার কিসের। কলেজে যাওয়া আসা করতে হলে, একটা জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। তাই বাবার ভয় ছিলো, যেহেতু জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়া আশা করতে হয়। তাহলে একা ড্রাইভিং না করাটাই ভালো। তাই বাবা আমাকে একা ছাড়তো না। একদিন কলেজে ক্ আমি কলেজ থেকে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। ড্রাইভার চাচা গাড়ি চালাচ্ছে, আর আমি পিছনে বসা। জঙ্গলের কাছাকাছি যেই মাত্র আসলাম, তখনি গাড়িটার কি একটা সমস্যা হলো। ড্রাইভার কে বললাম, চাচা জানঃ একটু দেখেনতো গাড়িটার কি সমস্যা হয়েছে?
ড্রাইভার চাচাঃ হ্যাঁ বাবা দেখতেছি কি সমস্যা হয়েছে। এমন কখনো হয় নাই।
কিছুক্ষণ ড্রাইভার চাচা গাড়ির সব কিছু চেক করে বললো, কি সমস্যা সেটা খুজে পাইতেছিনা। মনে হয় মেকানিক ডাকা ছাড়া ঠিক হবে না। আমিঃ মেকানিকরে কল করতাম?
চাচাঃ হুম করো।
মেকানিকরি কল করলাম। মেকানিককে যখন বললাম এখানে আসতে। ওরা বললো আজকেতো প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। আমরা আজকে ওখানে আসতো পারবোনা। আমরা কালকে এসে গাড়িটা ঠিক করে দিয়ে যাবো।
আমিঃ চাচা এখানে এই সময়ে কোন মেকানিক আসবেনা এখন কি করবো?
ড্রাইভার চাচাঃ গাড়িটা এখানে রেখে দিই। আস্তে আস্তে সন্ধ্যা হয়ে আসবে। চলো চলো আজকে হেটেই যেতে হবে বাড়ির দিকে।
সন্ধ্যার সময় জঙ্গলের মাজখান দিয়ে হেটে যেতে হবে, একথা শুনে খুব ভয় লাগলো। আর ভাবতে লাগলাম ড্রাইভার চাচা না থাকলে আজকে মনে হয় আমার বাড়ি দিকে যাওয়া হতোনা। বাবার কথাটা খুবমনে পড়লো।

