মন কাব্যগ্রন্থ থেকে কিছু কবিতা সঞ্চয় করা হয়েছে
"কবিতা " ৩১/৩/২৪
ভুজনবিলাসী
মনোরঞ্জন সরকার সজিব মন
আমি মালেক মিয়া।
বাবা খালেক মিয়া।
সময় হলে বাপ বেটা
সবই খাই গিলে খিদে পেলে।
খিদে পেলে সবই খায়।
কাজ আসলে ঘোরাঘুরি
কাজটা থাকে অনেকবারি।
সময় হলে সবই খেয়ে ফেলি,
বাপটা খাইয়ে এ দিকে,
ছেলেখায় চারিদিকে,
ঝাল মিষ্টি তিতা দই,
পেট ভরেনা তবু করি সই।
খেতে বসলে লাগে অনেক কিছু।
রাস্তা খাচ্ছি ব্রিজ খাচ্ছে পুকুর নদী খাল বিল।
বাদ পড়ে না জমিয়ে জমা।
হাট-বাজার ও ছাড়া পায় না।
ইযারা তুলে কিনে আনছে।
রুই কাতলা ইলিশ মাংস
এতেও হয় না ভোজন বিলাসী।
ব্যাংক বীমা কালো টাকা।
সার পাইনা কোন বেটা।
বাপ বেটা সবার সেরা।
পাউন্ড ডলার পাহাড় পর্বত
সামনে আসে বঙ্গোপসাগর।
খেয়ে ফেলছি অর্ধেক
তারপরে খাওয়া হয়না শেষ।
ছেলে মালেক করে বেল লেখ।
চারিদিকে তার সুনাম।
চেটেপুটে খাচ্ছে সবে,
শুয়ে বসে হেঁটে বেড়ায়
দেশটাকে শুধু আমাদের বড়াই।
এই বাসনাই করি।
সরকারি মাল আমাকে ছাড়া
কে দিবে সামাল।
নিজের ইচ্ছায় স্বাধীনতাই চলি।
সবকিছু আমার বলে মানি
এই ধরনের এই নিয়মে আমার দেশে।
স্বভাবটা যেন আমার ভোজন বিলাসী।।।।
ছেলে খায় চারিদিকে
কবি সাগরদী চরমোহাম্মদপুর চালাকচর নামে ঘুরেন এবং নদীর পাশে উনি খুঁজে পেয়েছিলেন অপরূপ দৃশ্য দেখতে পান সেই রূপে আড়িয়াল নদীর সে কবিতাটি উল্লেখ করেন ওই গ্রামেই আছেন কবির বন্ধুর বাড়ি বাড়ি, কবি বাংলাদেশের পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ঘুরে দেখেন আরো কবিতা ছোট গল্প উপন্যাস লিখতেন আর ওই গ্রামে বন্ধুর বাড়িতে ছিল কিছুদিনের জন্য আস্থা না।
কবিতা
আড়িয়াল নদী
সাগদি আকা বাকাঁ রাস্তা শেষে
সামনে আড়িয়াল নদী ভাসে
কয়েটি গ্রাম ছেয়ে আছে
বর্ষা কালে বর্ণাতে ভাসে
নষ্ট হয় শষ্য সোনালী ফসল
তাই দেখে কৃষাণে চোখে জল
চৈত্র মাসে খড়ার টান্যে ভাসেদুকুল
পাড় হয়ে যার কৃষান ছেলে
নদীতে হাটু জল। পার গরু, আর, গাড়ী
আভিয়াল নদী পাশে আমার দোস্তের বারি।
সন্ধ্যা হলে মোড়ে বাশের ঝাড়ে
রঙ্গীন ডানা প্রজাপতি, জোনাকির আলো
মিঠা নদী জল বলে, স্বাদের বরা মাছে
দুই কলে দাড়িয়ে আছে সাদা কাশ ফুল
বাতাসে দোলে যেন পাখির গানে
দেশট সাজিয়েছি নদী নালা দিয়ে।।।
কবি তার মন কাব্যগ্রন্থ থেকে, এই কবিতাটি সঞ্চয় করেছেন। ৬/৪/২৪
কবিতা
মোমবাতি
মনোরঞ্জন সরকার সজীব মন
মিটি মিটি তাঁর মতো গলে দিচ্ছে আলো
অন্ধাকারকে অভিশাপ না করে মোমের বাতি জ্বালো।
হৃদয় ভরা আলো যাদের। একটুতেই বুঝে
মিটি মিটি আলোতে, মন মেতে ওঠে
সকাল আর সন্ধ্যা বেলা প্রার্থনা পুজো থালাই
জ্বলে তাহার আলে
নরকে নাহি বসবাস। জুটে না মোমের আলো
জ্বলছে আলো, গলে পড়ছে মোমব্যতি,
অন্ধকারের সময় একটু মোমের আলো,
আলোতে ডেকে যাবে সকল পাপি তাপি
জোনাকির মতো আলো দেবে সারারাত
দিনের শেষে রাতের অবশেষে রাতে প্রয়োজন মিটাই,
দিনে কিংবা রাতে প্রতি ধর্ম গড়ে মোমের আলো জ্বলে
পাপ পুণ্য করে দিনের আলোতে
অভিশাপ করোনা অন্ধকারকে,
দরবার আর জন্মদিনে মমোর প্রয়োজন
পড়াশোনা সব সবই কাজে করি ব্যবহার
দেশের তোরে শান্তি ভরে এর আলো রাখে
মাঘী পূর্ণিমায় রাতে, বিশ্বাস ভরে,
সবার বারি মমের আলো জলে,
কেউবা মানসিক দেয় মোমের আলো জ্বেলে।
কবিতার মন কাব্যগ্রন্থ থেকে, কেউ নয় পর এই কবিতাটি লিখেছেন।।
"কবিতা"
কেউ নয় পড়
আমাদের গায়ে ছোট ছোট ঘর
এক সাথে চলি। কেউ এয়তো পড়
গায়ে ছেলে মেয়ে-সরল সোজা,
পাঠশালা যাবো মোরা
শিক্ষা নেব আদর্শ হব
-দুঃখ কষ্টে সাথী হবো
গায়ে মানুষ হবো না-পড়
পাড়া প্রতিবেশী, নাহী সেথা
বিপদ বিপদগ্রস্ত হলে এক হবো,
থাকবো না ঘড়ে বসে
মনে জাগেনা ডর ভয়
গায়ে আত্মীয় স্বজন সবে নাহি সেথা পর।।।
"কবিতা " ৭/৪/২৪
লোডসেডং
মনোরঞ্জন সরকার সজীব মন
কর্ন ফুলি নাদীতে, কাপ্তাই বাধ
বিদ্যুৎ আসে জনো পানির স্রুতি
বিদ্যুৎ চলে সারা দেশে
বহু চিন্তা ভাবনা সবার তরে
বার বার চলে লোসেডিং
চলেনা হয়ানা কোন চার্সছ
আপদ বিপদ মানেনা লোড় সেডিং।
গোরেনা পাখা বন্ধ অন্ধকার ঘড়ে।।
দেশর উন্নয়নে আছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র
তার পারেও বার বার কারেন্ট বন্ধ
অবশে চিন্তা ধারা, কয়লাদ্ধারা জ্বলবে।
হঠাৎকরে হয়ে যাবে গ্যাসের বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
আগের দিন ভালো ছিলো,
কোপা হারিকেন চড়ুই বাতি
নিভালে নিপত থাকতো ঘরে আলো
হারিয়ে গেছে মাটির প্রদীপ তাইতো লোডশেডিং
অতিষ্ঠ গরমে শরীর ঠান্ডা থাকত
এশি ফ্যান থাকতে মাথা ভয়ে ঘাম পড়ে।
লোডশেডিং হচ্ছে বারবার,
জনগণের পুরো মাথা নষ্ট।
তালপাতার বাতাসে মনটা জুড়িয়ে যেত,
এসি আর ফ্যানে বসে গাম কেন ঝড়তো
নকশিকাতা তালপাতার পাখা নাই দেশে
বারবার লোডশেডিং বিদ্যুৎ সরকারের।।
একা বসে বারবার বকা দিয়ে চলে,
লোডশেডিং ছেড়ে দিলে ছিটকে পড়ে,
আলো জ্বেলে দেখে ঘরে নাই সে,
লোডশেডিং যেন না হয় দেশে।।।
কবিতা ২/৪/২৪
বিষাক্ত প্রেম
মনোরঞ্জন সরকার সজিব মন্
ভালোবাসা অর্থ বুঝিনি বহু দূরের প্রেম,
অন্ধকার হৃদয়ের আচ্ছন্ন চাঁদ না দরার মত
প্রেম হলে তরুণ দল খুজে সোনার হরিণ,
ভালোবাসা প্রেম প্রীতি ভক্তি সাধন,
প্রেম হলো অবসর সময়,
ভালোবাসা জ্ঞানের কথা,দেয় প্রতিবেশী।
হঠাৎ তোমার হাতছানিতে
শিখেছি সেদিন দুঃখ আমার,
ভালো বাসা টা কি?
জীবন কতটা কঠিন বিলাসবহুল,
হাতে ছানিতে রঙিন প্রেমের ক্যাব।
কে আপন কে হল স্বার্থপর পর
শিখেছি সেদিন দুঃখ আমার।
হাতছানিতে রঙিন প্রেমের কাব্য।
কেহ আপন কে স্বার্থপর।
প্রেম মধুময় অশ্রু জল মুছে দিতাম।
না খেলে খাইয়ে দিতাম।
শুনাতাম কাব্য ঘুম পারানির গান।
ক্লান্ত হৃদয় কষ্ট চাপা দিয়ে।
নিজের ভেতর মানুষটাকে করেছি জাগ্রত।
তিলে তিলে ভেঙ্গে চুরে হলাম পুণ্য।
আমি সত্য অভিময় মহা তরুণ্য।
সুখে থাকার নয়, বিষাক্ত প্রেম।
সোনার দিনগুলো হলো অবক্ষয়।
সময় হলে দিন কাটাও সুশিক্ষার জন্য।।
।
নিজের বেতর মানুষটাকে করেছি জাগ্রত
আমি সত্য অভিসার মহা অরণ্নড়,,
তিলে তিলে ভেঙ্গেচুরে হলাম পুণ্য
আমি সত্য আমি সত্য অভিসার মাহা তরুণ্য।
সুখের জন্য বিষাক্ত প্রেম,
সোনার দিনগুলো অবক্ষয়।
সময় হলো দিন কয়টা সুশিক্ষিত হওয়ার জন্য
সময় হলো দিন কয়টার সুশিক্ষার জন্য।।।।
২৮/৩/২৪
কবি ভাষা
মনোরঞ্জন সরকার সজীব মন
কবি, একসময় শ্রীপুর জেলা, কাও রাইট ইউনিয়ন, গ্রাম সোনাবর শিমুলতলা ও বলদীঘাট, ওইখানে বসবাস করতেন আর এক মামার বাড়িতে উনার মামা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং পূর্ব টা মা ঠ স্কুলের সহকারি শিক্ষক ছিলেন, এবং উনি ও মুক্তিযোদ্ধা ভূবেনদের সরকার, আরো গ্রামের ১০ জন মিলে, গড়ে তোলেন ভুবেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয় ভালুকা থানা সাং পূর্বটা আমার কবি তোলা বলদিগাট শোনাবো গ্রামে চিকিৎসা দিয়ে থাকতেন এবং মানবতার পেশায় জড়িত থাকতেন, এবং বিভিন্ন প্রকৃতি নিয়ম দেখে উনি লিখতেন, কবি ছোটকাল লেখা শুরু করেন, গভমেন্টভাবেঅনুমোদিত রাইটার যেমন সরকারি স্কুলে দরখাস্ত, ছোট গল্প ছোট ছড়া ও আত্ম সচেতন মূলক ধরে তোলা, মোবাইল ফোন চতুর্থ শ্রেণী এবং ষষ্ঠ শ্রেণীতে আত্মসচেতনামূলক, এবং সপ্তম শ্রেণীতে শরিফা থেকে শরীফ এ নিয়ে ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখকদের সাথে কথা বলেন ও সাহায্যকারী হিসেবেও উন্নতি হন, এবং উনি দ্বিতীয় শ্রেণীতে কবি মনোরঞ্জন, সোনালী সকাল রূপালী দুপুর, কবিতা ছাপানো হয়।।।
"কবিতা "
নিরব
মনোরঞ্জন সরকার সজীব মন
গায়ের সালে শান্ত বলে,
ডাকে সবাই নীরব নামে
পড়ালেখা ভালো করত, কথা বলতে কম,
ছলা কলায় বায়না ধরতো,
যা মন চায় তাই কিন্তু।।
কোমল মনের ছেলে,
খাটো হল চেহারাটা ভীষণ ভালো,
বিভেকবান কলেজ পরুয়া নিরব।
টিকটকে হয় ছিলিব্রিটি,
পিছু ঘুরতে মেয়ে,
ওদের পিছু ছুটতে গিয়ে সংসার জীবন গড়ে।
সৎ বুদ্ধিমান কত প্রতিভা আছে তাহার।
সোনা বরের শান্ত ছেলে,বলার আগে চিন্তা করে।
নিরবে হৃদয় মনটা বড় ,
বাবার দেশের মুক্তিযোদ্ধা,
ভাতা পায়না সরকারের
হিন্দু জাতি,
ব্রাহ্মণ বংশের ঠাকুর বলে ?
অতি সম্মান আছে ঘরে,
পরিষ্কার আর পরিচ্ছন্ন হৃদয়ে বাসে বাধা।
বাড়ির পাশে দুটো পুকুর,অন্ধকারে ভরা
সন্ধ্যা রাতের জোনাকিরা আলো, মিটিমিটি জ্বলে।
পূর্ব-পশ্চিম বাঁশের ঝরে, ভূত-পেত্নী থাকে,
রাত দুপুরে ঘুরে বেড়ায়, সত্যি কি ভূত আছে,
সুযোগ পেলে হাত পা গাট্টা দেয় ভেঙ্গে।।।